মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৬ জুন ২০১৬

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক ১৯৮০ সালের ১৭ মে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা জনাব ফয়েজ উদ্দিন আহ্‌মেদ ও মাতা বেগম জমিলা আহ্‌মেদ। জনাব ফয়েজ উদ্দিন আহ্‌মেদ ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ‌উজ্জীবিত একজন রাজনীতিক, যিনি সিংড়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে চলনবিল অঞ্চলে অন্যতম সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন।

          জনাব পলক ১৯৯৫ সালে সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ হতে প্রথম বিভাগে (স্টার মার্কস এবং পাঁচটি বিষয়ে লেটার মার্কস সহ) এসএসসি এবং ১৯৯৭ সালে রাজশাহী গভ: কলেজ হতে প্রথম বিভাগে (দু’টি বিষয়ে লেটার মার্কস সহ) এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষা জীবন শেষে তিনি আইন পেশায় নিয়োজিত হন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিলের সদস্য। তিনি ঢাকার মিরপুরস্থ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) হতে ক্যাপস্টোন কোর্স সম্পন্ন করেছেন।

          ছাত্র জীবনে বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, কবিতা আবৃত্তি, গান এবং খেলাধুলাসহ বিভিন্ন কো-কারিকুলার কার্যক্রমে তাঁর ছিল সপ্র্রতিভ উপস্থিতি। শিক্ষা সপ্তাহ এবং শিশু মৌসুমী-সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বহুবার পুরস্কৃত হয়েছেন। স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে তিনি ছিলেন একইসাথে অনবদ্য সংগঠক এবং প্রতিভবান ক্রীড়াবিদ। ষষ্ঠ শ্রণিতে পড়ার সময় তিনি ‘দুর্দম ক্লাব’ প্রতিষ্ঠা করেন যা পরবর্তীতে  খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তিনি স্কাউট আন্দলনের একজন উজ্জীবিত কর্মী। ১৯৯৪ সালে গাজীপুরস্থ মৌচাকে অনুষ্ঠিত এশিয়া-প্যাসফিক স্কাউট জাম্বুরীতে দলনেতার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) এর ফ্রাঞ্চাইজি দূরন্ত রাজশাহী’র উপদেষ্টা।

          এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর দেশের অনেক স্বনাম খ্যাত প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ থাকলেও, নিজ এলাকার মানুষের পাশে থাকার এবং তাঁদেরে জন্য কিছু করার প্রত্যয় থেকে তিনি নাটোর জেলাধীন সিংড়া গোল-ই-আফরোজ সরকারি কলেজে ভর্তি হন এবং ঐতিহ্যবাহী ছাত্র্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেন। পরবর্তীতে  ১৮ বছর বয়সে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ছাত্র জীবন শেষে তিনি একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, সিংড়া উপজেলা ইউনিটে যোগদান করেন। 

          তিনি ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ৬০ নং নাটোর-৩ (সিংড়া) আসন হতে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন নবম জাতীয় সংসদের কনিষ্ঠতম সদস্য। এ সময় তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারী সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ পালন করেন। এছাড়া তিনি ছিলেন অল পার্টি পার্লামেন্টারি কমিটি অন ক্লাইমেট চেঞ্জ এর কো-কনভেনর।

          তিনি ২০১২ সালে ৩২ বছর বয়সে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্র্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ৫ জানুয়ারি ২০১৪ এর জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহন করেন। উক্ত নির্বাচনে বিপুল ভোটে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নতুন মন্ত্রিসভায় জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক কে অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি ১২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে ৩৩ বছর ৮ মাস বয়সে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি বর্তমান মন্ত্রিসভার কনিষ্ঠতম সদস্য। 

          মিসেস আরিফা জেসমিন (কনিকা) এর সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ। তাঁর স্ত্রী মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং পেশায় একজন প্রভাষক। অপূর্ব জুনাইদ, অর্জন জুনাইদ এবং অনির্বান জুনাইদ তাঁদের তিন সন্তান। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনসহ সরকারি সফর, সামিট, সেমিনার, ওয়ার্কশপ এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, নরওয়ে, জার্মানী, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন। সকল ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষভাবে তথ্য-প্রযুক্তি, আইন ও সুশাসন, পরিবেশ, সংগীত এবং শিল্প-সাহিত্যের প্রতি তাঁর রয়েছে গভীর অনুরাগ। তিনি তাঁর নির্বাচনী  এলাকায় (সিংড়া উপজেলায়) ব্যাপক বনায়নের লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহন করেন এবং জনগনের মাঝে বিনা মূল্যে পাঁচ লক্ষাধিক চারা বিতরণ করেন। যার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ২০১০ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জাতীয় পরিবেশ পদকে ভূষিত হন।

বিস্তারিত: www.zunaidahmedpalak.net

        www.facebook.com/zapalak


Share with :